থাইল্যান্ড চলতি বছর ৭৫ লাখ টন চাল রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্য পূরণে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, মধ্যপ্রাচ্য ও জাপানের মতো প্রধান বাজারগুলোয় খাদ্যশস্যটির রফতানি বাড়ানোর চেষ্টা করছে থাইল্যান্ড। দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গতকাল প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্স।
গত বছর বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম চাল রফতানিকারক দেশ ছিল থাইল্যান্ড। তবে বিশ্ববাজারে চাল উৎপাদন বৃদ্ধি ও ভারত পুনরায় রফতানি শুরু করায় দেশটি থেকে খাদ্যশস্যটির রফতানি কমেছে। ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইনের মতো বড় আমদানিকারক দেশগুলোও ক্রয় কমিয়েছে। চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে (জানুয়ারি-জুলাই) থাইল্যান্ডের চাল রফতানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪৩ লাখ টনে। যদিও এ সময় যুক্তরাষ্ট্র ও চীনে রফতানি বেড়েছে। থাইল্যান্ডের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হেড অব ফরেন ট্রেড ডিপার্টমেন্ট আরাদা ফুয়াংতং এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘চাল রফতানি লক্ষ্য পূরণে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাব। ’
তিনি জানান, জানুয়ারি-জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে থাইল্যান্ডের চাল রফতানি আগের বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ সত্ত্বেও চলতি বছরজুড়ে রফতানির পরিমাণ হতে পারে প্রায় আট লাখ টন।
চলতি বছর ডলারের বিপরীতে বাথের বিনিময় হার প্রায় ৫ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে। আরাদা জানান, বাথের শক্তিশালী অবস্থানও থাইল্যান্ডের চাল রফতানি চাপের মুখে পড়ার অন্যতম কারণ।